বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজমেরী গ্লোরি বাসে শিক্ষার্থীকে না নেওয়ার অভিযোগ, পরীক্ষা মিসের ঘটনায় উত্তাল ঢাকা পলিটেকনিক বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী হারানো বিজ্ঞপ্তি গোপালগঞ্জে বেইলি ব্রিজ ধসে খালে বালুর ট্রাক ও ইজিবাইক, আহত ৩: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গাজীপুরে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত মেক্সিকোতে গুলিতে মেয়র নিহত সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী ঈদ পুনর্মিলনীতে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা পরিশ্রমের গল্প থেকে জাতীয় মঞ্চে: কোচ সাইফুল ইসলাম খোকন ও তার ছাত্র তানভীর ইসলামের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা
Notice :
“টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨”

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধাসৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ : প্রধানমন্ত্রী

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধাসৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলা মাত্রা
১৬ মে ২০২৬

শনিবার বিকালে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুরে ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও
শাহ মাহমুদপুর, চাঁদপুর, ১৬ মে, ২০২৬ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধাসৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ।

তিনি বলেন, ‘জনগণ যতক্ষণ সমর্থন দেবে আমরা বিএনপি জনগণের জন্য, দেশের জন্য ইনশাল্লাহ কাজ করে যাব। এর থেকে এক বিন্দুও এদিক ওদিক হবে না।’

আজ শনিবার বিকাল পৌনে ৫টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুলি গ্রামের ঘোষের হাট সংলগ্ন ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা করেন।

সরকার নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন শুরু করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা যখন খাল কাটা শুরু করেছি, আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু করেছি, যখন ইমাম-মোয়াজ্জিনদের রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মানি ভাতা দেওয়া শুরু করেছি, বৃক্ষর রোপণ অভিযান শুরু করেছি- তখন কিছু সংখ্যক মানুষ এনিয়ে বিভ্রান্তিকর কথা বলছে। এর বিরোধীতা শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই দেশের মানুষ সচেতন ছিল বলেই তারা বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই আজকে পরিষ্কারভাবে হাজারো মানুষের সামনে আমি বলে দিতে চাই আমরা মানুষের পক্ষ থেকে যেই সমর্থন পেয়েছি, আমরা এক এক করে সেই কাজগুলো বাস্তবায়ন করব, সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ যদি এই কাজ বাধাগ্রস্ত করতে চায়, আমাদের কিছু করা লাগবে না, বাংলাদেশের মানুষই তাদের সেই পরিকল্পনা অবশ্যই রুখে দেবে। তাই আসুন যে, কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করলে এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে, আমরা সে সকল কাজে নেমে পড়ি।’

তিনি বলেন, আজকে এই ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখননে আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, আমরা সকলে এলার্ট থাকব, আমরা সকলে সচেতন থাকবো। ওই বিভ্রান্তকারীদের বিভ্রান্তির ফাঁদে আমরা পা দেব না।

প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত হাজারো মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে যাতে খাল খনন কর্মসূচিতে কেউ বাধা দিতে না পারে, আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে যাতে মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার যে কর্মসূচি সেই কর্মসূচি যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে কৃষক কার্ড কৃষক ভাইদের কাছে পৌঁছে দেবার যে পরিকল্পনা সেই পরিকল্পনা যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে। আমরা দেশের বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য যে সকল কর্মসূচি গ্রহণ করেছি সেগুলো যাতে বাধাগ্রস্ত করতেন না পারে, সে ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে।’

দেশ গঠনের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের সামনে উদ্দেশ্য লক্ষ্য একটাই। এই দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে, এই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে এবং সেই কাজ আমরা শুরু করেছি। বিএনপি সব সময় একটি কথা বলে থাকে জনগণই হচ্ছে বিএনপির সকল রাজনৈতিক শক্তির উৎস এবং সেই জন্যই জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা এসব কর্মসূচি শুরু করেছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচির কাজ শুরু করেছি। জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা কৃষক কার্ডের কাজ শুরু করেছি। জনগণ যতক্ষণ সমর্থ দেবে আমরা জনগণের জন্য কাজ করে যাব।’

সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন আজকে এই খাল পুনঃখনন কর্মসূচি থেকে আমরা সকলে মিলে একটি প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ হই, তা হচ্ছে এই দেশ আমাদের দেশ। এই দেশকে ৭১ সালে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছিলেন। কাজেই এখন আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার পালা। আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে ইনশা আল্লাহ আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব।’

স্থানীয় সংসদ সদস্য জেলা সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে এসে নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে বিশ্ব খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

Archives

Developed By Developed by Maznun masud

সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাধাসৃষ্টির ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ : প্রধানমন্ত্রী

১৬ মে ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
https://www.facebook.com/zh.zh.333292
www.banglamatra.com