বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজমেরী গ্লোরি বাসে শিক্ষার্থীকে না নেওয়ার অভিযোগ, পরীক্ষা মিসের ঘটনায় উত্তাল ঢাকা পলিটেকনিক বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী হারানো বিজ্ঞপ্তি গোপালগঞ্জে বেইলি ব্রিজ ধসে খালে বালুর ট্রাক ও ইজিবাইক, আহত ৩: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গাজীপুরে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত মেক্সিকোতে গুলিতে মেয়র নিহত সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী ঈদ পুনর্মিলনীতে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা পরিশ্রমের গল্প থেকে জাতীয় মঞ্চে: কোচ সাইফুল ইসলাম খোকন ও তার ছাত্র তানভীর ইসলামের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রা
Notice :
“টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨”

সুখময় জনজীবন ও ঈদুল আযহার আনন্দে ঘরে ফেরার

সুখময় জনজীবন ও ঈদুল আযহার আনন্দে ঘরে ফেরার

মা ও মাটির টানে মানুষের চলমান যাত্রা
বাংলা মাত্রা নিউজ ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে এলে দেশের জনজীবনে শুরু হয় এক অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য। কর্মব্যস্ত নগরজীবনের মানুষ ছুটে চলে নাড়ির টানে, শেকড়ের টানে, প্রিয় মা ও মাটির টানে। বাস, ট্রেন, লঞ্চ কিংবা ব্যক্তিগত যানবাহনে ঘরমুখো মানুষের এই চলমান যাত্রা যেন বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধনের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই পরিবারকে ঘিরে ভালোবাসার মিলনমেলা। সারা বছরের ব্যস্ততা শেষে প্রিয়জনদের সঙ্গে কিছু মুহূর্ত কাটানোর আশায় মানুষ ফিরে যায় গ্রামের বাড়িতে। বৃদ্ধ মা অপেক্ষা করেন সন্তানের জন্য, শিশুরা অপেক্ষা করে নতুন জামা ও কোরবানির আনন্দের জন্য। এই আবেগময় দৃশ্যগুলো ঈদুল আযহাকে করে তোলে আরও তাৎপর্যপূর্ণ।
পবিত্র ঈদুল আযহার মূল শিক্ষা হলো ত্যাগ, মানবতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ। কোরবানির মাধ্যমে মানুষ শুধু পশু জবাই করে না, বরং নিজের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও লোভকেও ত্যাগ করার শিক্ষা গ্রহণ করে। সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাই এই ঈদের অন্যতম বার্তা।
বর্তমানে দেশের সড়ক, মহাসড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন হওয়ায় মানুষের যাত্রাপথ অনেক সহজ হয়েছে। প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম মানুষের ঈদযাত্রাকে আরও স্বস্তিদায়ক করতে ভূমিকা রাখছে। তবুও সকলের উচিত ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে যাত্রা করা।
ঈদুল আযহা হোক শান্তি, সম্প্রীতি ও সুখময় জনজীবনের প্রতীক। মা ও মাটির টানে মানুষের এই ঘরে ফেরার আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের প্রতিটি স্তরে। কোরবানির শিক্ষা আমাদের হৃদয়কে হোক আরও মানবিক, আরও উদার।
বাংলা মাত্রা পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
— বাংলা মাত্রা সম্পাদকীয় বিভাগ

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

Archives

Developed By Developed by Maznun masud

সুখময় জনজীবন ও ঈদুল আযহার আনন্দে ঘরে ফেরার

২৪ মে ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
https://www.facebook.com/zh.zh.333292
www.banglamatra.com