বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইসিটি বিভাগের আরএডিপিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা আজমেরী গ্লোরি বাসে শিক্ষার্থীকে না নেওয়ার অভিযোগ, পরীক্ষা মিসের ঘটনায় উত্তাল ঢাকা পলিটেকনিক বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী হারানো বিজ্ঞপ্তি গোপালগঞ্জে বেইলি ব্রিজ ধসে খালে বালুর ট্রাক ও ইজিবাইক, আহত ৩: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গাজীপুরে জেলা পর্যায়ের ‘স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রজেক্ট ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত মেক্সিকোতে গুলিতে মেয়র নিহত সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী ঈদ পুনর্মিলনীতে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা
Notice :
“টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨”

অভিভাবক সমাবেশে সচেতনতা

অভিভাবক সমাবেশে সচেতনতা,

বাংলা মাত্রা নিজস্বপ্রতিবেদন ঃ

চামটা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে ব্যতিক্রমী আয়োজন
২৩ মে ২০২৬, ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী চামটা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী অভিভাবক সমাবেশ। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে এবং Save the Children ও SAINT Bangladesh-এর সহযোগিতায় শিশুদের অধিকার, শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজনটি ছিল শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ, নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা গঠনের এক অনন্য উদাহরণ।
বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাল্যবিবাহবিরোধী নাটিকা ও একক অভিনয়। নাটকের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান বাল্যবিবাহের কুফল অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শীভাবে তুলে ধরা হয়। অভিনয়ে ফুটে ওঠে কিশোর-কিশোরীদের স্বপ্ন, শিক্ষার গুরুত্ব এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের সংগ্রাম। উপস্থিত দর্শকরা আবেগঘন পরিবেশে নাটিকাটি উপভোগ করেন এবং সচেতনতার বার্তাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন।
একক অভিনয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ছিল বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। রোমান্টিক আবহের নৃত্য ও সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে। তবে সবকিছুর মূল লক্ষ্য ছিল—শিশুদের মননশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করতে পরিবার, বিদ্যালয় এবং সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিশুরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে—তাই তাদের সুরক্ষা, শিক্ষা ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি।
এই অভিভাবক সমাবেশ কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দিকনির্দেশনামূলক উদ্যোগ। সচেতন অভিভাবক, দায়িত্বশীল শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠনের সমন্বয়ে গড়ে উঠতে পারে একটি আলোকিত সমাজ—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।
বাংলা মাত্রা ডেস্ক

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী বাংলা মাত্রা শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে বক্তব্যে দেন । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। ‘ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’ বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে। ‘ কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন। পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

Archives

Developed By Developed by Maznun masud

অভিভাবক সমাবেশে সচেতনতা

২৪ মে ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
https://www.facebook.com/zh.zh.333292
www.banglamatra.com