অস্ট্রেলিয়া বসবাস করছি ছেলে দক্ষিণ কোরিয়া
প্রবাসের আকাশে সাফল্যের উড়ান, হৃদয়ে বাংলাদেশের টান
কফির আড্ডায় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মীর মামুনের ভবিষ্যতের স্বপ্ন ও পরিবারের বৈশ্বিক যাত্রা
বাংলা মাত্রা নিজস্ব প্রতিবেদক
এক কাপ ধোঁয়া ওঠা কফি, কিছু আন্তরিক আলাপ আর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী ভাবনা—এভাবেই জমে উঠেছিল এক প্রাণবন্ত আড্ডা। উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী রেভিডেন্স যোদ্ধা মীর মামুন, সাংবাদিক মো জাকির হোসেন এবং শাহাদাত।
আড্ডার একপর্যায়ে নিজের পরিবার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মীর মামুন বলেন, “আমি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছি। আমার ছেলে বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিজের শিক্ষা ও কর্মজীবন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আর আমার একমাত্র মেয়ে আগামী মাসে উচ্চশিক্ষা ও উন্নত ক্যারিয়ারের লক্ষ্যে জার্মানিতে পাড়ি জমাবে।”
তার এই বক্তব্যে উঠে আসে একটি আধুনিক বাংলাদেশি পরিবারের বিশ্বজুড়ে এগিয়ে চলার গল্প। একসময় যে স্বপ্ন কেবল দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আজ তা ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। শিক্ষা, দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে।
মীর মামুন বলেন, পৃথিবীর যেখানেই থাকা হোক, দেশের প্রতি ভালোবাসা, শিকড়ের প্রতি টান এবং মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছাই একজন প্রকৃত প্রবাসীর পরিচয়। বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান একদিন দেশের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাংবাদিক মো জাকির হোসেন বলেন, “আজকের বাংলাদেশি তরুণরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখছে। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের জন্যও গর্বের বিষয়।”
আড্ডায় উপস্থিত শাহাদাতও নতুন প্রজন্মের আন্তর্জাতিক সাফল্যকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বমানের শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।
কফির আড্ডা শেষ হলেও আলোচনার মূল বার্তা ছিল স্পষ্ট—প্রবাস জীবনের দূরত্ব কখনোই মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসাকে মুছে দিতে পারে না। বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশিরাই আগামী দিনের জ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।।