মানুষ সেবাই বড় ধর্ম:
মানুষের পাশে থাকাই মানবতার চাবিকাঠি
সাংবাদিক জাকির হোসেনের অনুপ্রেরণামূলক বাণীতে উঠে এসেছে মানবতার প্রকৃত স্বরূপ
ঢাকা, ৩০ জুন: “মানুষ সেবাই বড় ধর্ম, মানুষের পাশে থাকাই মানবতার চাবিকাঠি”— এই গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বলেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক জাকির হোসেন।
তাঁর এই উক্তি আজকের বিভেদপূর্ণ সমাজে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। ধর্মের নামে যখন মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়ছে, তখন জাকির হোসেন মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, প্রকৃত ধর্ম হলো মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা।
মানুষ সেবার গুরুত্ব
সাংবাদিক জাকির হোসেনের মতে, ধর্ম যাই হোক না কেন, তার মূল কথা হলো মানুষকে ভালোবাসা এবং সাহায্য করা। অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ধার্মিকতা।
তিনি নিজে সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তাঁর এই বাণী তাঁর ব্যক্তিগত জীবনদর্শনেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
বাস্তব উদাহরণে মানবতা
বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো
অসুস্থ রোগীর জন্য রক্তদান ও সহায়তা প্রদান
গরিব শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা
অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়া
জাকির হোসেনের উক্তি অনুসারে, এই ছোট ছোট কাজগুলোই প্রকৃত মানবতার পরিচয় বহন করে।
মানবতা ধর্মের ঊর্ধ্বে
সাংবাদিক জাকির হোসেনের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, মানবতা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের সীমানায় আবদ্ধ নয়। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষ যদি এই দর্শন অনুসরণ করে, তাহলে সমাজে ঘৃণা ও বিভেদ অনেকাংশে কমে আসবে।
তিনি সাংবাদিক হিসেবে সত্যের পক্ষে কলম ধরার মতো, প্রত্যেক নাগরিককেও নিজ নিজ জায়গা থেকে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
উপসংহার
সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইক-শেয়ারের মধ্যে মানবতা সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। বাস্তবে পাশে দাঁড়াতে হবে। সাংবাদিক জাকির হোসেনের এই বাণী আমাদের জন্য একটি পথনির্দেশ।
মানুষ সেবাই বড় ধর্ম। মানুষের পাশে থাকুন, মানবতাকে জাগ্রত করুন।