শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পবিত্র জুমা মোবারক: সকলের দ্বারপ্রান্তে ‘বাংলা মাত্রা’ আমজনতার কথা, মানুষের অধিকারের কথা কাঠালিয়ার কৈখালী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই কয়েকটি দোকান গোপালগঞ্জে আলো ছড়াচ্ছে ‘মডেল ছায়া শিক্ষা কেন্দ্র’  ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্পসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি  সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুজন শনাক্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী  সন্ধ্যায় আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৪৫০ মেগাওয়াটে
Notice :
“টাকা-পয়সা, ধন-সম্পদ হয়তো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ঈদের এই আনন্দ আর প্রিয়জনদের ভালোবাসা চিরন্তন। সবাইকে পবিত্র ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক! 🌙✨”

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বর: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বর: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

বাংলা মাত্রা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬ | রাত ১০:৩১ মিনিট


ঢাকা: দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়ে দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজকর্মী সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী বলেছেন, “অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বর। সত্য, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন।”
রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরের একটি রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অধ্যাপক ফজলুল হক। পরে দ্রুত তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
কর্মময় জীবনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তাঁর বাবা ছিলেন মুহাম্মদ আবদুল হাকিম এবং মা জাহানারা খাতুন।
তিনি ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ১৯৬৫ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মুনীর চৌধুরী, আহমদ শরীফ, নীলিমা ইব্রাহিমসহ প্রখ্যাত শিক্ষকদের সান্নিধ্যে এসে তিনি মুক্তচিন্তা ও প্রগতিশীল বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার সঙ্গে যুক্ত হন।
শিক্ষকতা, গবেষণা ও সাহিত্যচর্চায় অনন্য অবদান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে চার দশকেরও বেশি সময় শিক্ষকতা করেন অধ্যাপক ফজলুল হক। বিভাগীয় সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নজরুল রচনাবলীর সম্পাদনা পরিষদের সদস্য ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে কলাম লিখেছেন এবং ১৯৮২ সাল থেকে ‘লোকায়ত’ নামে প্রগতিশীল সাময়িকী সম্পাদনা করে আসছিলেন।
শোকের ছায়া
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে দেশের শিক্ষাঙ্গন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে।
বাংলা মাত্রা পরিবারের পক্ষ থেকেও দেশবরেণ্য এই শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page
Developed By Developed by Maznun masud

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বর: সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

06 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
https://www.facebook.com/zh.zh.333292
www.banglamatra.com